
স্বাধীন বাংলাদেশ রাষ্ট্রের অভ্যুদয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের অবদান থাকলেও রাষ্ট্রের কোন সরকার কখনো বিশ্ববিদ্যালয়কে গ্রহণ করতে পারেনি, যেমনটা পারেনি রিলিজিয়াস এক্সট্রিমিস্টরা। তাই সময়ে সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৃত স্পিরিটকে কোনঠাসা করার চেষ্টা করা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় চায় মুক্তি, মুক্তবুদ্ধি চর্চা, জ্ঞানচর্চা। রাষ্ট্র চায় দাসত্ব, দলান্ধতা, দলদাস।
বিশ্ববিদ্যালয় হলো এনলাইটেন সিটিজেন তৈরির কারখানা। এনলাইটেন সিটিজেন কখনো মোরাল বাউন্ডারী ক্রস করে পলিটিক্যাল পারপাস সার্ভ করে না। সহজ কথায়, কারো দলদাস বা লাঠিয়াল হয় না।
ঠিক এ কারনেই এদেশে মেধাবীর মূল্যায়ন হয়না।
তাইতো শিক্ষক ও ছাত্র রাজনীতির নামে পলিটিক্যাল এজেন্ট নিয়োগ করে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসগুলোকে সন্ত্রাসের অভয়ারণ্যে পরিণত করে একচেটিয়া কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। কোনো সভ্য রাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয়ে এগুলা হয়না।
ওয়ার্ল্ড ব্যাংক যেখানে জিডিপির ৫% শিক্ষায় বরাদ্দ দিতে বলে, তখন বাংলাদেশ শিক্ষাখাতে জিডিপির মাত্র ১.৫০% বরাদ্দ দিয়ে শিক্ষাকে গলা চেপে হত্যা করছে।কারণ এ রাষ্ট্র
জ্ঞান পছন্দ করেনা।
তাই বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে রাজনৈতিক ক্ষমতার প্রভাব থেকে মুক্ত করতে না পারলে জ্ঞানভিত্তিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব না।
১৬.৭.২৪